সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪ || ৭:৪০:৪৯ অপরাহ্ণ

সাভারে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের মারধর ও পোষ্টার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকার সাভারে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামের ট্রাক প্রতিকের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলাসহ তার কর্মীদের মারধর ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে নৌকা সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এসময় ঢাকা-১৯ আসনে নৌকার প্রার্থী ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমানের উপস্থিতিতেই তার নেতাকর্মীরা এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থীর। এঘটনায় আহত তিনজনকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বুধবার রাতে সাভার থানা স্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, বিল্লাল হোসেন, হারুন অর রশিদ ও মো. শাহি।
ট্রাক প্রতিকের কর্মী আহত হারুন অর রশিদ জানান, রাতে থানা স্ট্যান্ডে আমরা ৪-৫ জন ট্রাক প্রতিকের পোস্টার লাগাতে যাই। এসময় ওই স্থান দিয়ে মন্ত্রীর গাড়ি আসতেই অনেক নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত হয়ে আমাদের উপর চড়াও হন। কেন মন্ত্রীর বুকের উপর পোস্টার লাগাতে গেছি জানতে চেয়ে আমাদের হুমকি-ধামকি দিতে থাকে তারা। এসময় ট্রাক প্রতিকের অনেক গুলো পোস্টার তারা ছিরে ফেলে আমাদের মারতে মারতে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয়। আর যেন ওই দিকে পোস্টার লাগাতে না যাই, সে জন্য হুমকি-ধামকি দেয়। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আমরা তিনজন চিকিৎসা নেই।
ঢাকা-১৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, বুধবার রাতে নৌকার প্রার্থী ডা. এনামুর রহমানের সামনে তার নেতাকর্মীরা আমার পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছে। আমার তিন-চার জন কর্মীকে মারধর করে আহত করেছে। আমার কর্মীদের কাছে যেটা শুনেছি, আমার লোজন থানা স্ট্যান্ড এলাকায় যখন পোস্টার লাগাচ্ছিলো তখন নৌকার প্রার্থী এনাম সাহেব গাড়ি থেকে নেমে আমার পোস্টারের কাছে এগিয়ে যান। ওই সময় তার সাথে থাকা শেখ সাঈদ ও তার লোকজন আমার কর্মীদের মারধর করে। আর যেন ওই এলাকায় পোস্টার লাগাতে না যায় এমন হুমকি প্রদান করে। একজন প্রার্থীর সামনে আরেক প্রার্থীর পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা অত্যন্ত দুঃখজনক। ঘটনার পরপর পুলিশ সেখানে গিয়ে পোস্টার ছেড়া অবস্থায় পেয়েছে। আমি সাভার থানা ও নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দেব।
অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা পরিচয়দানকারী শেখ সাঈদ মুঠফোনে বলেন, যখনকার ঘটনা তখন আমি ওই স্থানে ছিলাম না।
অভিযোগের বিষয়ে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-১৯ আসনের নৌকার প্রার্থী ডা. এনামুর রহমানকে ফোন করা হলেও রিসিভ করেননি। এছাড়া তার নির্বাচন সমন্বয়কারী মাসুদ চৌধুরীর মুঠফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকবর আলী খান বলেন, আমি শুনেছি তবে কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবসথা নেওয়া হবে।
এবিষয়ে সাভার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ঢাকা জেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ফেরদৌস ওয়াহিদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

খবরটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *