
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাভার পৌর এলাকায় বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্প/রাজস্ব এর অর্থায়নে ড্রেন ও আরসিসি রাস্তা নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ১৯০মিটার রাস্তাটিতে শুধু ড্রেন নির্মাণেই ব্যাপক অনিয়ম পাওয়ায় কাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন।
সাভার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সাভার পৌরসভার প্রশাসক মোঃ সাইফুল ইসলাম সড়ক ও ড্রেন নির্মানে অনিয়মের বিষয়টি জানতে পেরে পৌর সভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আমজাদ হোসেনকে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেন।
এলাকাবাসী জানান, সাভার পৌর এলাকার ভাগলপুর জামে মসজিদের সামন থেকে ফারুক প্রফেসরের বাড়ি পর্যন্ত ১৯০ মিটার আরসিসির সড়ক ও ড্রেন নির্মাণ কাজ চলছে। ইটের তৈরি ড্রেনের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে নিম্নমানের সামগ্রী। প্লাস্টার না করেই কোনরকম বালু দিয়ে লেপে ড্রেনের কাজ শেষ করেছে। ড্রেনের গাঁথুনিতে সিমেন্টের পরিমাণ কম হওয়ায় ধাক্কা লেগে ড্রেন থেকে সরে যাচ্ছে ইট। এছাড়াও আরসিসি রাস্তা ঢালাই এর জন্য নিয়ে আসা হয়েছে নিম্নমানের ওয়েস্টেজ পাথর।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাভার পৌরসভার বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্প/রাজস্ব এর অর্থায়নে ৩৮ লাখ ৪৬হাজার ৯২১টাকা ব্যায়ে ১৯০ মিটার সরু সড়কটিতে আরসিসি করন ও ইট দিয়ে ড্রেন নির্মাণের কাজটি বগিয়ে নেয় মেসার্স সেলিম এন্টারপ্রাইজ।
ঠিকাদারী এই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা মোঃ বুলবুল বলেন, কাজতো ঠিকমতোই করা হচ্ছে। ড্রেনের কাজেও কোন অনিয়ম নেই। তবে নিম্ন মানের ওয়েস্ট পাথর দিয়ে সড়কের ঢালাইয়ের করা হবে এমন বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওইসব পাথর আমি বাড়িতে নিয়ে যাব, ওগুলো দিয়ে কোন কাজ করব না।
কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা সাভার পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী তৌফিক ইমাম রূপক বলেন, নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করার কোন সুযোগ নেই। প্রয়োজনে ভেঙে নতুন করে আবার কাজ করে দেবে ঠিকাদার। ড্রেনের কাজে অনিয়মের বিষয়ে পৌরসভার এই কর্মকর্তা ঠিকাদারের পক্ষ নিয়ে বলেন, ড্রেনের মধ্যে পানি এর জন্য হয়তো সিমেন্ট দিয়ে ঠিকমতো প্লাস্টার করতে পারছে না। তবে আমি গিয়ে দেখব বলেন তিনি।
এ বিষয়ে সাভার পৌর সভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আমজাদ হোসেন বলেন, নিম্নমানের সামগ্রী ও ওয়েস্টেজ পাথর দিয়ে কাজ করার কোন সুযোগ নেই। ইউএনও স্যার বিষয়টি আমাকে বলেছেন। আমি লোক পাঠিয়েছি। নিম্নমানের কোন সামগ্রী ওখানে থাকবে না। যেখানে সমস্যা আছে ওসব জায়গা ভেঙ্গে আমি ঠিকাদারকে দিয়ে আবার কাজ করিয়ে দিব।
Leave a Reply